
স্টাফ রিপোর্টার :
নড়াইলে জেলা ছাত্রলীগের কমিটি থেকে সদ্য বাদপড়া নেতৃবৃন্দ বিক্ষোভ করেছে। বুধবার রাত সাড়ে ৭টার দিক পুরাতন বাসটার্মিনাল জেলা আওয়ামীলীগের কার্যালয়ের সামনে এ বিক্ষোভ করে। এসময় উপস্থিত ছিলেন অব্যহতি পাওয়া সহ-সভাপতি সন্দ্বিপ মজুমদার, যুগ্ম-সম্পাদক সুমন শেখ, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুল ইসলাম সাগরসহ অন্যরা।

রাতে পদ বঞ্চিতদের বিক্ষোভ
এসময় বক্তরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের ভূল বুঝিয়ে আমাদের বাদ দেওয়া হয়েছে। এজন্য তারা জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদককে দায়ি করেন।
এদিকে কমিটি থেকে বাদ পড়ার প্রতিবাদে বিকেলে মাইজপাড়া বাজারে মানববন্ধন করে ছাত্রলীগ।

মাইজপাড়া বাজারে মানববন্ধন করে ছাত্রলীগ। ছবি:-নড়াইল নিউজ ২৪.কম
জানাগেছে, নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের নেতাদের নিয়ে বিতর্ক যেন থামছেই না। চঞ্চল শাহারিয়ার মিমকে জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি এবং রকিবুজ্জামান পলাশকে সাধারন সম্পাদক করে কমিটি গঠন করা হয়। কমিটি গঠনের এক বছরেরও পর গত ১০ই মার্চ কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারন সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য পুর্ণাঙ্গ কমিটি স্বাক্ষর করেন। শুরু হয় নতুন করে বিতর্ক বিবাহিত, বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সদস্য, মাদকাসক্ত, রাজাকার পরিবারের সদস্যদের রাখা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।

অব্যহতি পাওয়াদের তালিকা-ছবি সংগৃহীত
কমিটি প্রকাশের পর এক এলাকার অনেকের নাম, বিাহিত, বিএনপি-জামায়াত পরিবারের সদস্য, মাদকাসক্ত, রাজাকার পরিবারের সদস্যদের রাখা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মাদকাসক্তছবিসহ বিতর্কিতদের নামও অনেকে প্রকাশ করে। তখন বিতর্কিতদের বাদ দিয়ে অন্যদের যুক্ত করার কথা বলা হয়।

নতুন অন্তভূক্তদের তালিকা-ছবি সংগৃহীত
গতরাতে (১৫ জুন) পূর্বের কমিটির সহ-সভাপতি, যুগ্ম-সম্পাদকসহ ১৬ জনকে অব্যহতি দিয়ে নতুন করে ১৬ জনকে অন্তুভূক্তি করা হয়। এর পরই নতুন করে শুরু হয় বিতর্ক। অব্যহতি প্রাপ্তরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় নেতাদের জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদক ভূল বুঝিয়ে আমাদের বাদ দিয়েছে।
জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি চঞ্চল শাহারিয়ার মিম ও সাধারন সম্পাদক রকিবুজ্জামান পলাশের সাথে যোগাযোগের চেষ্টা করেও পাওয়া যায়নি।
আরও পড়ুন: নড়াইল জেলা ছাত্রলীগের কমিটি নিয়ে হতাশা সাবেক ছাত্রলীগ নেতারা