বিশ্বাস কর! তোমাকে আর মনে পড়ে না শুধু বৃষ্টি হলে একটু আধটু মন খারাপের বাড়ি। কামনা করি বর্ষাকালটা চলে যাক তাড়াতাড়ি। শরতে যখন ফোটে জুই, চামেলি আর বকুল কেমন যেন শিরশির করে অনুভব হয় অতীত বুকের মধ্যে চিনচিন করে জাগতে চায় স্মৃতির এলবামে।
পাত্তা দেইনা, হিটলারের চেয়েও কঠোর হস্থে দমন করি যতসব আবেগ। বল আমাকে কি মানায় আবেগের আস্ফালনে? প্রার্থনায় নত করে শির বিদায় জানাতে চাই শরতের মোহময় নষ্ট অনুভব। হেমন্তের গোধুলীলগ্নে রাস্তার পাশে বেখাপ্পাভাবে বেড়ে উঠা কামিনী নাকে জড়িয়ে যায় মিষ্টি সুবাসের যামিনী।
ধুম করে মনে করিয়ে দেয় তোমার এলোমেলো চুলের সেই চিরচেনা মোহনীয়তা দুর্দান্ত প্রতাপে শাষণে নিস্পেসিত করি নষ্টালজিক চেতনা। হটিয়ে দিতে চাই মিছিলে শ্লোগানে হেমন্তের আলস্য। জানো! শিতকালটা না চরম বেঈমান ভোরের শিশির আর গোলাপ চন্দনকে ছাপিয়ে ছোট ছোট পাখির কলকাকলি কে উপেক্ষা করে কাকনের রিনিঝিনিকে দেয় অধিক গুরুত্ব।
[caption id="attachment_4916" align="aligncenter" width="300"]
ছবি প্রতিকী[/caption]
মাত্র এক কাপ গরম চায়ের লোভে আমি হয়ে যাই নির্জীব স্বত্ব। আমি তো লোভী নই, মানতে পারিনা আমার আমির সাথে এ দ্বৈত নিতী হুঙ্কার ঢঙ্কার আর মিটিং পথসভায় প্রতিবাদে মুখরিত শিতের বিনাশ। বসন্তে আমি খুব সতর্কতার সাথে ভুলে থাকি প্রেম ভালবাসার উপাখ্যান প্রেমের কালে উপেক্ষিত আমি বসন্ত আসে, পেয়ে যায় অভিনন্দন।
চুপিসারে পালিয়ে যাই, সংখ্যাগরিষ্ঠের ভিড়ে আমি অতি নগন্য। তিরস্কারে আর অপমানে জীবন হয়ে উঠে জঘন্য। প্রত্যাঘাতের প্রস্তুতি তে গৃষ্মের আগমন কামনা। গৃষ্ম আসে খরতাপে, চলেও যায়। তোমার কথা বলে না খেয়াল করে দেখি আর ভাবি, তোমাকে আর মনে পড়ে না।
লেখক পরিচিতি, মেশকাত লিটু, নড়াইল।