৫ জন ফাঁসলেন রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিকত্ব দিয়ে ৫ জন ফাঁসলেন রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিকত্ব দিয়ে – Narail news 24.com
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৭:৫৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করতে ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নড়াইলে জি আর প্রকল্পের হরিলুট ! নড়াইলে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান: ল্যাবস্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষনা লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৩ নড়াগাতীতে ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল হেলপারের নড়াইলে স্মরণসভা সভা অনুষ্ঠিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন হাসপাতাল বন্ধে অভিযান চলবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ – সিইসি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মাদরাসার ছাত্র খুন, আহত-২

৫ জন ফাঁসলেন রোহিঙ্গা নারীকে নাগরিকত্ব দিয়ে

Reporter Name
  • Update Time : সোমবার, ১৪ জুন, ২০২১

 নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

রোহিঙ্গা এক নারীকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরির কাজে সহায়তার অভিযোগে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের (চসিক) সাবেক কমিশনারসহ পাঁচ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সোমবার (১৪ জুন) দুদকের চট্টগ্রাম সমন্বিত জেলা কার্যালয়ে সংস্থাটির উপ-সহকারী পরিচালক মো. শরীফ উদ্দিন বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন। দুদকের জনসংযোগ দফতর বিষয়টি নিশ্চিত করেছে।

মামলার আসামিরা হলেন- চট্টগ্রামের ৩৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কমিশনার মোহাম্মদ ইসমাইল, চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের জন্ম নিবন্ধন সনদ সহকারী সুবৰ্ণ দত্ত, রোহিঙ্গা নাগরিক অহিদা, অহিদার শনাক্তকারী ও কথিত চাচা চট্টগ্রামের বাসিন্দা মো. সিরাজুল ইসলাম এবং রোহিঙ্গা নাগরিক অহিদার বানানো পিতা-মাতা মোহাম্মদ ইসমাইল ও মেহেরজান।

এজাহার সূত্রে জানা যায়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে জালিয়াতি ও ক্ষমতার অপব্যবহার করে ভুয়া পরিচয় ও নাম-ঠিকানা ব্যবহার করে জাতীয়তা সনদপত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরি করেন। পরে ওই সনদ দেখিয়ে বাংলাদেশি পাসপোর্ট তৈরি করার চেষ্টা করেন রোহিঙ্গা নাগরিক অহিদা।

ঘটনার বিবরণে জানা যায়, অহিদা ২০১৯ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর কমিশনার মোহাম্মদ ইসমাইল বরাবর আবেদন করে নাগরিক সনদপত্র নেন। একইসঙ্গে ওই বছরের ৭ নভেম্বর অহিদা জন্ম নিবন্ধন সনদ পাওয়ার জন্য পিতা হিসাবে আসামি মো. ইসমাইল ও মাতা হিসাবে মেহেরজানকে দেখানো হয়। দুদকের অনুসন্ধানে জানা যায় তারা অহিদার প্রকৃত পিতা-মাতা নন এবং তারাও মিয়ানমার নাগরিক। বর্তমানে ইসমাইল ও মেহেরজান সৌদি প্রবাসী।

অন্যদিকে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জন্ম নিবন্ধন সনদ তৈরিতে সরাসরি কমিশনার ইসমাইল ও সিটি করপোরেশনের সুবর্ণ দত্ত সহায়তা করেছেন বলে দুদকের অনুসন্ধানে প্রমাণিত হয়েছে। মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৬/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫ (২) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x