‘স্ত্রী-ছেলেসহ’ তিনজনকে হত্যা করে এসআই সৌমেন ‘স্ত্রী-ছেলেসহ’ তিনজনকে হত্যা করে এসআই সৌমেন – Narail news 24.com
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৮:২৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করতে ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নড়াইলে জি আর প্রকল্পের হরিলুট ! নড়াইলে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান: ল্যাবস্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষনা লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৩ নড়াগাতীতে ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল হেলপারের নড়াইলে স্মরণসভা সভা অনুষ্ঠিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন হাসপাতাল বন্ধে অভিযান চলবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ – সিইসি

‘স্ত্রী-ছেলেসহ’ তিনজনকে হত্যা করে এসআই সৌমেন

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১৩ জুন, ২০২১

 নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

কুষ্টিয়ায় এসআই সৌমেন কুমার রায়ের ‘স্ত্রী ও সৎ ছেলে’সহ তিনজনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনায় চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে জেলা শহরে। রোববার দুপুরে শহরের কাস্টমস মোড়ের একটি ভবনের নিচ তলার মার্কেটে গুলি করে হত্যার ওই ঘটনা ঘটে। হত্যাকাণ্ডের পর উত্তেজিত জনতা আটক করে স্থানীয়রা পুলিশে সোপর্দ করে।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সৌমেন জানিয়েছেন, নিহত নারী আসমা তার দ্বিতীয় স্ত্রী। তার প্রথম স্ত্রী এবং সন্তান অন্যত্র থাকেন। কেন হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছেন এমন প্রশ্নে সৌমেন জানিয়েছেন, বিকাশ কর্মী শাকিলের সঙ্গে আসমার অনৈতিক সম্পর্কের কারণে তিনি এ ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে আসমাকে নিজের স্ত্রী দাবি করলেও কোন কাজগপত্র দেখাতে পারেননি সৌমেন। গুলিতে নিহত শিশুটি আসমার প্রথম ঘরের সন্তান।

জানা গেছে, আসমার প্রথম স্বামীর সঙ্গে বছর দেড়েক আগে ডিভোর্স হয়। এরপর তিনি কুষ্টিয়া শহরে ছেলেকে নিয়ে মায়ের সঙ্গে থাকতেন। এসময় সৌমেন রায় কুষ্টিয়ার হালসা পুলিশ কেন্দ্রে দায়িত্বরত ছিলেন। ওই সময় তার বিরুদ্ধে নানা অনৈতিক কর্মকাণ্ডের অভিযোগ উঠে। হালসায় থাকা অবস্থায় আসমার সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে উঠে সৌমেনের। তবে দুই জন দুই ধর্মের হওয়ায় তাদের বিয়ে হয়েছে কিনা তা কেউ নিশ্চিত করে বলতে পারছেন না। নানা অভিযোগের কারণে সৌমেনকে হালসা থেকে খুলনার ফুলতলায় বদলি করা হয়। এরপর থেকে আসমার সঙ্গে শাকিলের সম্পর্ক গড়ে ওঠে।

রোববার শহরের পিটিআই সড়কের কাস্টমস মোড়ে আসমা, তার ছয় বছরের ছেলে রবিন ও শাকিলকে গুলি করে হত্যা করে এসআই সৌমেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, প্রথমে আসমা তার সন্তানকে নিয়ে কুষ্টিয়া-ঝিনাইদহ মহাসড়কের কাস্টমস মোড়ে তিনতলা একটি ভবনের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। পরে বিকাশ এজেন্ট শাকিলও সেখানে যান। এক পর্যায়ে এএসআই সৌমেন সেখানে হাজির হন। তিনজনের কথা বলার এক পর্যায়ে সৌমেন আসমার মাথায় পিস্তল দিয়ে গুলি করেন। পরে শাকিলকে গুলি করার সময় পাশে থাকা আসমার ছেলে রবিন দৌঁড়ে পাশের একটি মসজিদের দিকে যেতে থাকে। সৌমেন তাকে ধরে এনে গুলি করলে শিশুটি মাটিতে লুটিয়ে পড়ে।

পরে সেখানে উপস্থিত জনতা সৌমেনকে আটক করতে ধাওয়া করে। তখন তিনি পাশের মার্কেটের উপরে উঠে যান। সেখানে জনতা ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকে। এক পর্যায়ে পুলিশ এসে তাকে আটক করে নিয়ে যায়।

এদিকে ফুলতলা থানা পুলিশ জানিয়েছে, খুলনার ফুলতলা থানার এসআই সৌমেন কুমার রায় ছুটি না নিয়েই কর্মস্থল ত্যাগ করেছিলেন। শনিবার রাতে এসআই সৌমেন ফুলতলা থানায় উপস্থিত ছিলেন। পরবর্তীতে তিনি ছুটি না নিয়ে এবং থানার কাউকে কিছু না জানিয়ে রোববার ভোরে কুষ্টিয়ায় চলে যান। তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপের পাশাপাশি বিভাগীয় ব্যবস্থাও নেওয়া হচ্ছে।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x