লোহাগড়ায় ইতনা গণহত্যা দিবস পালিত লোহাগড়ায় ইতনা গণহত্যা দিবস পালিত – Narail news 24.com
মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪, ০৮:২৯ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নির্বাচনে না আসার খেসারত বিএনপিকে দিতে হবে মন্তব্য ওবায়দুল কাদেরের সরকারকে উৎখাত করার ষড়যন্ত্রে বিডিআর বিদ্রোহ ঘটানো হয়েছিল – পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘ বাংলাদেশে জলবায়ু কর্মকান্ডে অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে – পরিবেশ মন্ত্রী নড়াইলে বীরশ্রেষ্ঠ নূর মোহাম্মদ শেখের জন্মবার্ষিকী পালিত নড়াগাতীতে ২৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্থানীয় সরকার প্রতিনিধিদের সন্ত্রাস ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর সম্পর্কের নতুন অধ্যায়ে যেতে চায় বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কেন্দ্রীয় ঔষধাগারে ঝটিকা অভিযানে অনিয়ম দেখলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শিক্ষার্থীরা জাপানসহ অন্যান্য দেশে কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে – জাপানের রাষ্ট্রদূত লোহাগড়ার মেধাবী ছাত্র এহসানুল কবির অর্ক এর অনন্য কীর্তি

লোহাগড়ায় ইতনা গণহত্যা দিবস পালিত

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ২৩ মে, ২০২১

মলয় কান্তি নন্দী :
জেলার লোহাগড়ায় যথাযোগ্য মর্যাদায় ইতনা গণহত্যা দিবসের সুবর্ণ জয়ন্তী পালিত হয়েছে।
রোববার ইতনা হাই স্কুল ও কলেজের আয়োজনে দিবসটি পালন উপলক্ষে কর্মসূচির মধ্যে ছিল শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ ও আলোচনা সভা।
ইতনা স্কুল ও কলেজের মিলনায়তনে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ অনিন্দ্য সরকারের সভাপিতত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মীনা রাজীব আহমেদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা কাজী আকবর হোসেন, আতাউর রহমান ফিরোজ, মলয় কান্তি নন্দী, নারায়ন চন্দ্র বিশ্বাস, শমসেরুল ইসলাম শামু, অদ্যাপক আমিরুল ইসলাম, প্রকাশ কুমার বিশ্বাস, বি এম রইস উদ্দিন প্রমূখ।
উল্লেখ্য, মুক্তিযুদ্ধেও সময় লোহাগড়া উপজেলার মধুমতি নদী তীরবর্তী ইতনা গ্রামের রয়েছে গৌরবোজ্জ্বল ইতিহাস। যুদ্ধকালীণ সময়ে ইতনা হাইস্কুল মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রশিক্ষণ এবং এখান থেকেই শত্রু পক্ষের উপর আক্রমনের নানা কৌশল ও পরিকল্পনা গ্রহন করা হতো। এ গ্রামের উল্টোদিকে মধুমতির ওপারে গোপালগঞ্জের কাশিয়ানী উপজেলার চরভাটপাড়া গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের বৃহৎ ক্যাম্প গড়ে তোলা হয়। পাকবাহিনী বিষয়টি আঁচ করতে পেরে ২২মে চরভাটপাড়া গ্রামে ঢুকে নিরীহ লোকজনের ওপর হামলা-নির্যাতন শুরু করে। এ সময় মুক্তিবাহিনী প্রতিরোধ গড়ে তোলে এবং হানাদার বাহিনীর সঙ্গে শুরু হয় তুমুল যুদ্ধ। প্রায় দু’ঘন্টা ব্যাপী যুদ্ধে চার পাকসেনা ও ১৪ মুক্তিযোদ্ধা আহত হন। পাকসেনারা পিছু হটার সময় চরভাটপাড়া গ্রামের কৃষক অনিল কাপালীকে গুলি করতে গেলে গুলি শেষ হয়ে যায়। এসময় কৃষক অনিল কাপালী এক পাক সেনার কাছ থেকে অস্ত্র কেড়ে নিয়ে মধুমতি নদীতে ফেলে দিয়ে সাঁতার কেটে ইতনা গ্রামে আশ্রয় নেন। ক্ষিপ্ত পাক সেনারা ২৩ মে ভোরে ইতনা গ্রামে এসে ৫টি ভাগে বিভক্ত হয়ে একের পর এক বাড়িঘর জ্বালিয়ে পুড়িয়ে নির্বিচারে গুলিবর্ষণ করতে থাকে। এদিন গুলি করে একে একে ৩৯ জন স্বাধীনতাকামী মানুষকে হত্যা করে। রক্তে লাল হয়ে যায় ইতনা গ্রাম। ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যায় নিরীহ মানুষ। এছাড়াও যুদ্ধকালীন সময়ে আরো ১১ জন নিহত হন এই গ্রামে। দেশ স্বাধীন হলেও ইতনা গ্রামের এই নৃশংস হত্যাযজ্ঞে নিহতদের কোন রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নেই, নেই সরকারী উদ্যোগে দৃষ্টিনন্দন একটি স্মৃতিস্তম্ভ, এলাকাবাসীর অনেকের দীর্ঘদিনের দাবী।
দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকে এই ইতনা গ্রামবাসী বিন্নিভাবে দিবসটি পালন করে আসছে।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x