মহামারি নির্মূলে টিকা দিতে হবে ৭০ শতাংশ মানুষকে: ডব্লিউএইচও মহামারি নির্মূলে টিকা দিতে হবে ৭০ শতাংশ মানুষকে: ডব্লিউএইচও – Narail news 24.com
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০১:২১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করতে ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নড়াইলে জি আর প্রকল্পের হরিলুট ! নড়াইলে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান: ল্যাবস্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষনা লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৩ নড়াগাতীতে ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল হেলপারের নড়াইলে স্মরণসভা সভা অনুষ্ঠিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন হাসপাতাল বন্ধে অভিযান চলবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ – সিইসি বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ছাত্রীকে উত্ত্যক্তের প্রতিবাদ করায় মাদরাসার ছাত্র খুন, আহত-২

মহামারি নির্মূলে টিকা দিতে হবে ৭০ শতাংশ মানুষকে: ডব্লিউএইচও

Reporter Name
  • Update Time : শনিবার, ২৯ মে, ২০২১
ডব্লিউএইচও ইউরোপ শাখা প্রধান হ্যান্স ক্লাগ

নড়াইল নিউজ ২৪.কম আন্তর্জাতিক ডেস্ক:

বিশ্বের অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় না আনতে পারলে করোনা মহামারি নির্মূল সম্ভব নয় বলে জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)। শুক্রবার ডব্লিউএইচও’র ইউরোপীয় শাখার পরিচালক হ্যান্স ক্লাগ ফ্রান্সের বার্তাসংস্থা এএফপিকে এ কথা বলেন। সূত্র: এএফপি

বিশ্বজুড়ে গণটিকাদান কর্মসূচি কাঙ্খিত মাত্রার তুলনায় অনেক ধীরগতিতে চলছে বলে সমালোচনা করেছেন ক্লাগ। পাশাপাশি, করোনাভাইরাসের বিভিন্ন অভিযোজিত ধরনের (ভ্যারিয়েন্ট) উদ্ভব ও এগুলোর উচ্চ সংক্রমণক্ষমতার প্রেক্ষিতে উদ্বেগও প্রকাশ করেছেন তিনি।

শুক্রবার এক সাক্ষাৎকারে এএফপিকে হ্যান্স ক্লাগ বলেন, ‘বিশ্বজুড়েই মানুষের মধ্যে এক প্রকার গা ছাড়া মনোভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আমাদের মনে রাখতে হবে, করোনা মহামারি শেষ হয়ে গেছে, কিংবা যাচ্ছে— এমন চিন্তা-ভাবনা করার কোনো সুযোগ এখন পর্যন্ত নেই। বিশ্বের অন্তত ৭০ শতাংশ মানুষকে টিকার আওতায় আনার আগ পর্যন্ত এই মহামারি নির্মূল হবে না।’

গত এক বছর ধরে বিশ্বজুড়ে মানবদেহে সংক্রমিত হতে হতে কয়েকবার অভিযোজনের (মিউটেশন) মধ্যে দিয়ে গেছে সার্স-কোভ-২ বা করোনাভাইরাস। এর ফলে এই ভাইরাসটির একাধিক প্রজাতি বা ধরনের (ভ্যারিয়েন্ট) উদ্ভব ঘটেছে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যাচ্ছে নতুন প্রজাতি বা ধরনগুলো প্রচলিত সার্স-কোভ-২ মূল ভাইরাসটির তুলনায় অনেক বেশি প্রাণঘাতী ও উচ্চ সংক্রমণশীল।

সাক্ষাৎকারে এ বিষয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে হ্যান্স ক্লাগ বলেন, ‘এই ব্যাপারটি সত্যিই খুব উদ্বেগের, কারণ আমরা ইতোমধ্যে দেখেছি প্রচলিত সার্স-কোভ-২ ভাইরাসটির তুলনায় এর ব্রিটিশ ভ্যারিয়েন্ট বি.১১৭ এর সংক্রমণ ক্ষমতা বেশি।’

‘আবার, এখন দেখা যাচ্ছে— ভাইরাসটির ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট বি.১৬১৭ এর ক্ষয়ক্ষতির ক্ষমতা ব্রিটিশ ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশি।’

সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, করোনাভাইরাসের ক্রমাগত অভিযোজন এবং এর ফলে নিত্য নতুন ধরনের আবির্ভাব বৈশ্বিক মহামারি পরিস্থিতিকে আরো তীব্র করে তুলছে। এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণের উপায় টিকাদান কর্মসূচীকে আরও গতিশীল করা।

ডব্লিউিএইচওর ইউরোপীয় শাখার পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ইউরোপের মোট ৫৩ টি দেশ এবং এলাকার (টেরিটরি) মোট জনসংখ্যার মাত্র ২৬ শতাংশকে টিকার প্রথম ডোজ দেওয়া গেছে।

অন্যদিকে ফ্রান্সের বার্তাসংস্থা এএফপির পরিসংখ্যান বলছে, ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) বসবাসকারী মোট জনসংখ্যার মাত্র ৩৬ দশমিক ৬ শতাংশ মানুষ এখন পর্যন্ত টিকার প্রথম ডোজ গ্রহণ করতে সক্ষম হয়েছেন। টিকার দুই ডোজ নেওয়া সম্পূর্ণ করেছেন আরও কম— ১৬ দশমিক ৯ শতাংশ মানুষ।’

টিকাদান কর্মসূচির এই ধীরগতি ইউরোপে করোনা মহামারিকে দীর্ঘস্থায়ী করছে উল্লেখ করে সাক্ষাৎকারে হ্যান্স ক্লাগ বলেন, ‘সময় দ্রুত বয়ে যাচ্ছে। এই মহমারিকে লাগাম টানতে হলে এই মুহূর্তে যে দিকে সবচেয়ে বেশি মনযোগ দিতে হবে, তা হলো গতি।’

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x