গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে – তাজুল ইসলাম গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে – তাজুল ইসলাম – Narail news 24.com
বুধবার, ২৪ জুলাই ২০২৪, ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে বিনামূল্যে স্বাস্থ্যসেবা সহায়তা প্রদান   নড়াইলে দলিত জনগোষ্ঠীর অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে ইউনিয়ন পরিষদের সাথে গণশুনানি অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের উন্নয়নে চীনের সমর্থন অব্যাহত রাখার আশ্বাস দিলেন শি জিনপিং ঢাকা-বেইজিং ২১টি দলিল সই এবং দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নত করতে ৭টি প্রকল্প ঘোষণা প্রশ্নফাঁসে জড়িত সেই ৫ জনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে দুদকে চিঠি দিলো পিএসসি নড়াইলে জাতীয় কাবাডি চ্যাম্পিয়ানশীপের ফাইনাল খেলা অনুষ্টিত ভারতের সাথে দেশ বিরোধী চুক্তি বাতিল,দুর্নীতিবাজদের গ্রেপ্তার ও শাস্তির দাবিতে বিক্ষোভ সম্ভাব্য বন্যা মোকাবিলায় সংশ্লিষ্ট সকলকে প্রস্তুতি গ্রহণের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর সরকারি কর্মচারিদের সম্পদের হিসাব দাখিলের নির্দেশ হাইকোর্টের পেনশন স্কিম প্রত্যয়-এর প্রাসঙ্গিক বিষয়ে জাতীয় পেনশন কর্তৃপক্ষের ব্যাখ্যা

গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে – তাজুল ইসলাম

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৬ জুন, ২০২১

 নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

শহরে যে সকল সমস্যা জনদুর্ভোগ সৃষ্টি করে সেগুলোকে বিবেচনায় নিয়েই গ্রামকে শহরে রূপান্তরিত করা হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম।

রোববার স্থানীয় সরকার বিভাগ কর্তৃক অনলাইনে আয়োজিত ‘আমার গ্রাম, আমার শহর’ বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনায় আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় তিনি একথা বলেন। তাজুল ইসলাম বলেন, রাজধানীসহ দেশের বড় বড় নগরে অবৈধভাবে জায়গা দখল করে অবকাঠামো নির্মাণের ফলে অপরিকল্পিতভাবে শহর গড়ে উঠেছে। পর্যাপ্ত রাস্তা, খোলা জায়গা, ড্রেনেজ ব্যবস্থা, অন্যান্য নাগরিক সেবা নিশ্চিত না করে গড়ে উঠেছে মহানগরী।

তিনি বলেন, উন্নয়ন এমনভাবে করতে হবে যেন শহরের নাগরিকরা যে অসুবিধা ভোগ করে সেগুলো গ্রামে না থাকে। শহরের সুযোগ-সুবিধা গ্রামে পৌঁছে দিতে হবে যাতে শহরের ন্যায় জনদুর্ভোগ তৈরি না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রেখে ‘আমার গ্রাম, আমার শহর দর্শন’ বাস্তবায়ন করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, মানুষের জীবন-যাপনে প্রয়োজনীয় সুযোগ সুবিধা এবং চাহিদা অন্তর্ভুক্ত করে উপজেলা ভিত্তিক দ্রুত মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করতে হবে। মানুষের আবাসিক এরিয়া, অ্যাগ্রিকালচারাল ল্যান্ড, গ্রিনাইজেশন, প্লে-গ্রাউন্ড, রাস্তা-ঘাট, ব্রিজ-কালভার্ট, স্কুল-কলেজ, কমিউনিটি ক্লিনিক, শপিংমল, শিল্পাঞ্চল, নদী-নালা, খাল-বিল সংরক্ষণসহ সবকিছু পরিকল্পিতভাবে করতে হবে। যেখানে সেখানে যাতা তৈরি করে মাস্টার প্ল্যান প্রণয়ন করা যাবে না। মন্ত্রী আরো বলেন, মাস্টার প্ল্যান শুধু নেওয়ার জন্য নয়, যৌক্তিক কারণ এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে নিতে হবে। যেকোনো জায়গায় বাসা-বাড়ি, দোকানপাট, কিন্ডারগার্টেন স্কুল, ক্লাব, মাদ্রাসা, কবরস্থান এভাবে চলতে দিলে দেশকে পরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা সম্ভব হবে না।

তিনি জানান, আমার গ্রাম, আমার শহর কারিগরি সহায়তা শীর্ষক একটি প্রকল্প নেওয়া হয়েছে। এ প্রকল্পের জন্য পরামর্শক ও সহায়ক কর্মচারী জন্য একটি অফিস স্থাপন করা হয়েছে এবং প্রস্তাবিত কারিগরি সহায়তা প্রকল্পের মাধ্যমে পাইলট হিসেবে ১৫টি গ্রামকে নির্বাচনের কাজ চলছে। তিনি বলেন, সরকারি নির্দেশনা এবং দলীয় সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নসহ ইউনিয়ন পরিষদকে দিয়ে অনেক কাজ করার সুযোগ রয়েছে। ইউনিয়ন পরিষদ ও উপজেলা পরিষদের সক্ষমতা বাড়াতে পরিষদকে লোকবল এবং লজিস্টিক সাপোর্ট দিয়ে শক্তিশালী করার পাশাপাশি জবাবদিহিতার আওতায় আনতে হবে।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, সারাবিশ্বে করোনা মহামারী কারণে সব কিছুতেই একটা অচলাবস্থা তৈরি হয়েছে। আমাদের দেশও এর বাহিরে নয়। প্রাথমিকভাবে এই প্রকোপ স্বল্প সময় থাকবে বলে মনে হলেও কবে শেষ হবে তা বলা মুশকিল। তাই করোনা চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে আমাদের উন্নয়ন কাজগুলো এগিয়ে নিতে হবে।

এসময় শহরের নানা নাগরিক সমস্যা এবং অবৈধভাবে দখল হওয়া খাল, জলাশয় পুনরুদ্ধারে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলেও জানান তিনি।

সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য, স্থানীয় সরকার বিভাগের সিনিয়র সচিবসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব/সচিব, এলজিইডি ও ডিপিএসই’র প্রধান প্রকৌশলী এবং প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x