খিচুড়ি রান্নার প্রকল্প বাতিল হলো একনেকে খিচুড়ি রান্নার প্রকল্প বাতিল হলো একনেকে – Narail news 24.com
সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৮:২৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে ক্লাইমেট স্মার্ট কৃষি প্রযুক্তি মেলা শুরু ভবন নির্মাণে বিল্ডিং কোড অনুসরণ নিশ্চিত করতে ডিসি সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান নড়াইলে জি আর প্রকল্পের হরিলুট ! নড়াইলে স্বাস্থ্য বিভাগের অভিযান: ল্যাবস্টার ডায়াগনস্টিক সেন্টার বন্ধ ঘোষনা লোহাগড়ায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে আহত ১৩ নড়াগাতীতে ট্রলি থেকে ছিটকে পড়ে প্রাণ গেল হেলপারের নড়াইলে স্মরণসভা সভা অনুষ্ঠিত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবেলায় সশস্ত্র বাহিনীকে সক্ষম করে তোলা হচ্ছে – প্রধানমন্ত্রী অবৈধ বা যন্ত্রপাতিহীন হাসপাতাল বন্ধে অভিযান চলবে – স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশে মোট ভোটার ১২ কোটি সাড়ে ১৮ লাখ – সিইসি

খিচুড়ি রান্নার প্রকল্প বাতিল হলো একনেকে

Reporter Name
  • Update Time : মঙ্গলবার, ১ জুন, ২০২১
ছবি সংগৃহীত

 নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় খিচুড়ি রান্নার প্রকল্প বাতিল করেছেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার (১ জুন) একনেক সভায় প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হলে প্রধানমন্ত্রী রান্না ছাড়া খাবারের পক্ষে মত দিয়ে প্রকল্পটি নতুনভাবে উপস্থাপনে নির্দেশ দেন। একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।  

একনেক সভা শেষে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আজ সভায় একটি প্রকল্প অনুমোদন পায়নি। এটা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্প। প্রধানমন্ত্রী এ প্রকল্পটি ভালোবাসেন, স্নেহ করেন। কিন্তু প্রকল্পটির স্ট্রাকচার নিয়ে তার সংশয় ছিল। এজন্য তিনি নির্দেশনা দিয়ে প্রকল্পটি ফেরত পাঠিয়েছেন।

মন্ত্রী বলেন, স্কুলে খাবার দেওয়া প্রকল্পটি ফেরত পাঠানো হয়েছে। আমরাও চাই সকল শিক্ষার্থী স্কুলে খাবার পাক। তবে এই প্রকল্পের স্ট্রাকচার পরিবর্তন করে সম্পূর্ণ নতুনভাবে প্রস্তাব করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের স্কুলে পুষ্টিকর খাবার সরবরাহে ১৭ হাজার ২৯০ কোটি টাকার প্রকল্প হাতে নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ একনেক সভায় ‘প্রাইমারি স্কুল মিল’ নামক প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য উপস্থাপন করা হয়। কিন্তু প্রকল্পটি অনুমোদন না দিয়ে ফেরত পাঠানো হয়।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪টি জেলার ৪৯২টি উপজেলা এবং ২১টি শিক্ষা থানায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করার লক্ষ্য ছিল। আগামী ২০৩০ সালের মধ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গামী সব শিক্ষার্থীকে পর্যায়ক্রমে স্কুল মিল কার্যক্রমের আওতায় এনে তাদের শিক্ষা, পুষ্টি, স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তায় অবদান রাখার লক্ষে প্রকল্পটি হাতে নেওয়া হয়েছিল।

সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মনে করেছে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে নিরাপদ ও পুষ্টিকর খাবার সরবরাহে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি প্রাথমিক স্তরে শিক্ষার্থীদের ঝরে পড়ার হার হ্রাস এবং স্কুলে ভর্তি ও উপস্থিতির হার বৃদ্ধি পাবে।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x