খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ছে খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ছে – Narail news 24.com
শনিবার, ১৫ জুন ২০২৪, ০৯:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
লোহাগড়ায় ট্রাস্ট ব্যাংকের উদ্বোধন করলেন সেনা প্রধান জেনারেল শফিউদ্দিন আহমেদ কালিয়ায় গুলিতে আহত-২, বাড়ীঘর ভাংচুর ও লুটপাটের পাল্টাপাল্টি অভিযোগ বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিনিয়োগ প্রত্যাশা প্রধানমন্ত্রীর একটি আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল ফোন ! নড়াইলে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে একজনকে হত্যার অভিযোগ নড়াইলে সেমিনার অনুষ্ঠিত নড়াইলে সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও ভাইস-চেয়ারম্যনদের দায়িত্ব গ্রহন ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় তারেক সহ ১৫ জন পলাতক – সংসদে প্রধানমন্ত্রী সাবেক আইজিপি বেনজীর পরিবারের আরও সম্পত্তি ক্রোকের নির্দেশ লোহাগড়ার পলাশ মোল্যা হত্যা মামলায় ৩ জনের ফাঁসি

খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ছে

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২১
khaleda

নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার দুর্নীতির দুই মামলায় ১৭ বছরের কারাদণ্ড পাওয়া দণ্ড স্থগিত করে মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানো হচ্ছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানাগেছে।

তিন দফায় ছয় মাস করে ১৮ মুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ার আগে আগে তাকে স্থায়ীভাবে মুক্ত করে দিতে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হয়েছিল। তবে আইন মন্ত্রণালয় বলেছে, স্থায়ীভাবে মুক্ত করার এখতিয়ার আদালতের।

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক গত ৭ সেপ্টেম্বর স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে আবেদনের বিষয়ে মতামত জানান। তাতে তিনি মুক্তির মেয়াদ আরও ছয় মাস বাড়ানোর সুপারিশ করেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আমাদের মতামত দিয়ে দিয়েছি। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর অনুমোদনের জন্য মতামতসহ প্রস্তাব আমরা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছি। আমরা ওনার (খালেদা জিয়া) দণ্ড আরও ছয় মাস স্থগিতের জন্য মতামত দিয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রী অনুমোদন করার পরেই এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক আদেশ জারি হবে।

আগের তিন দফার মতো এবারও বিদেশে না যাওয়া এবং বাড়িতে চিকিৎসার শর্তে মুক্তির মেয়াদ বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।

আইন মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘খালেদা জিয়ার মুক্তির মেয়াদ আরও ৬ মাস বাড়াতে মত দিয়েছে আইন মন্ত্রণালয়। শর্ত থাকবে বিদেশে যেতে পারবে না। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী দেশে ফিরলে এই মতামত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পাঠাবে। এরপর সব চূড়ান্ত হবে।’

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলায় পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হয় খালেদা জিয়ার। পরে উচ্চ আদালতে আপিল করলে সাজা বেড়ে হয় দ্বিগুণ।

উচ্চ আদালতের আদেশের পর দিন জিয়া জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতির মামলার রায় হয় বিচারিক আদালতে। এ মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড পান বিএনপি নেত্রী। ফলে মোট ১৭ বছরের কারাদণ্ড হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রীর।

দুই মামলায় জামিন পেতে বিএনপির আইনজীবীদের চেষ্টা ব্যর্থ হলে বিএনপি নেত্রীর স্বজনরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে আবেদন নিয়ে যান।

সরকার প্রধানের নির্বাহী আদেশে দণ্ড স্থগিত হলে সাবেক সরকার প্রধানকে দুই শর্তে ২০২০ সালের ২৫ মার্চ মুক্তি দেয়া হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালের প্রিজন সেল থেকে বিএনপি নেত্রী ফেরেন তার গুলশানের বাসভবন ফিরোজায়।

শর্ত দুটি হলো: বিএনপি নেত্রী দেশেই চিকিৎসা নেবেন এবং তিনি বিদেশে যাবেন না।

গত এপ্রিলে খালেদা জিয়া করোনায় আক্রান্ত হলে বিএনপির পক্ষ থেকে তাকে বিদেশে যাওয়ার সুযোগ করে দেয়ার অনুরোধ করা হয়। তবে সরকার সে দাবি নাকচ করে। জানানো হয়, রাষ্ট্রপতির কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করলে আর তিনি তা গ্রহণ করলেই কেবল বিদেশে যাওয়ার সুযোগ আছে।

দ্বিতীয় আরেকটি পথ হলো আদালত থেকে নির্দোষ প্রমাণ হয়ে আসা। কিন্তু জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় আপিল বিভাগে আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় হাইকোর্ট বিভাগে শুনানিতে বিএনপি নেত্রীর আইনজীবীরা কোনো আগ্রহই দেখাচ্ছেন না।

খালেদা জিয়া যখন বন্দিত্ব থেকে মুক্তি পেয়ে বাসায় ফেরার পর তার সাময়িক মুক্তির মেয়াদ পরে আরও ছয় মাস করে দুই দফায় বাড়ানো হয়।

তৃতীয় দফায় দণ্ড স্থগিতের মেয়াদ শেষ হচ্ছে আগামী ২৪ সেপ্টেম্বর। এবার চতুর্থ দফায় মুক্তির মেয়াদ বাড়লে তার আরও ছয় মাস কারাগারে যেতে হবে না।

বিএনপি নেত্রীর বিরুদ্ধে এই দুটি মামলা ছাড়াও আরও অন্তত ৩০টি মামলা আছে। এর মধ্যে বেশ কয়েকটি মামলা অভিযোগ গঠনের অপেক্ষায় আছে।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x