আ.লীগ মনে করেছিল বিএনপি শেষ হয়ে যাবে – মির্জা ফখরুল আ.লীগ মনে করেছিল বিএনপি শেষ হয়ে যাবে – মির্জা ফখরুল – Narail news 24.com
রবিবার, ২৬ মে ২০২৪, ০২:৫১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
নড়াইলে তীব্র তাপদাহে পথচারীদের মাঝে শরবত বিতরণ ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় রেমাল : পায়রা-মোংলায় ৭ নম্বর বিপদ সংকেত ঢাকাবাসীকে সুন্দর জীবন উপহার দিতে কাজ করছে সরকার – প্রধানমন্ত্রী ঘূর্ণিঝড় রেমালের মোকাবেলায় প্রস্তুত রয়েছে সরকার – দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী কোন দলের নেতাকর্মীকে জেলে পাঠানোর এজেন্ডা আমাদের নেই – ওবায়দুল কাদের ঘূর্ণিঝড় রেমাল মোকাবিলায় ফায়ার সার্ভিসের ছুটি বাতিল, মনিরটিং সেল গঠন নড়াইলে দুই মাদক ব্যাবসায়ীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড কংগ্রেসম্যানদের সই জালকারী বিএনপি একটি জালিয়াত রাজনৈতিক দল মন্তব্য পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রধানমন্ত্রী শ্রমিকদের জন্য সব কিছু করে যাচ্ছেন – বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জুজুৎসুর নিউটনের ‘ভয়ংকর’ যৌন নিপীড়নের তথ্য জানালো র‍্যাব

আ.লীগ মনে করেছিল বিএনপি শেষ হয়ে যাবে – মির্জা ফখরুল

Reporter Name
  • Update Time : রবিবার, ৩০ মে, ২০২১
সংগৃহীত

 নড়াইল নিউজ ২৪.কম ডেস্ক:

জিয়াউর রহমানের মৃত্যু পর আওয়ামী লীগ মনে করেছিল বিএনপি শেষ হয়ে যাবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৯ মে) রাতে এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় এ মন্তব্য করেন তিনি। 

মির্জা ফখরুল বলেন, আওয়ামী লীগের লোকেরা, বাংলাদেশের শত্রুরা মনে করেছিল যে বিএনপি শেষ। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের পর থেকে এই বিএনপি থাকবে না। বিএনপির রাজনীতি এই দেশের মানুষের বুকের ভেতরের রাজনীতি, মাটির রাজনীতি। এটা বিএনপি ধারণ করে। সব সময় বিএনপি সেই ফিনিক্স পাখির মতো জেগে উঠে আবারও বিস্তার লাভ করেছে।

মির্জা ফখরুল বলেন, ১৯৮১ সালের ৩০ মে যারা জিয়াউর রহমান হত্যা করেছিল তারা ছিল বাংলাদেশের স্বাধীনতার শত্রু। বাংলাদেশের মানুষের শত্রু। বাংলাদেশের যে উত্থান হয়েছিল, তারা সেই উত্থানের শত্রু। তারাই ২০০৬ সালে ১/১১ থেকে সক্রিয় হয়ে উঠে আবার বাংলাদেশকে ওই একই জায়গায় নিয়ে যেতে চায়। তারা বাংলাদেশের আইডেনটিটিকে ধ্বংস করতে চায়। আমাদের নেতাও (জিয়াউর রহমান) বলেছেন যে, এই দেশটাকে তারা তাবেদার রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায়। এখানে সেই ষড়যন্ত্র-চক্রান্ত চলছে।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে আমরা যারা যুদ্ধ করেছিলাম তখন তরুণ-যুবক ছিলাম। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান তখন একেবারেই যুবক ছিলেন। তার ডাকে সাড়া দিয়ে অস্ত্র হাতে আমরা সেই যুবকরাই যুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম। আবারও ১৯৭৫ সালে শহীদ জিয়ার ডাকেই আমরা রাষ্ট্র নির্মাণের কাজে ঝাঁপিয়ে পড়েছিলাম।

বিএনপির দীর্ঘ ১২ বছর ধরে লড়াই-সংগ্রাম করছে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া তার আপোষহীন নেতৃত্ব দিয়ে কারাবরণ করেছেন। অসুস্থ হয়েছেন। আজ আমাদের সেই লড়াইকে ঠিক জায়গায়, কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে হবে। আসুন সবাই ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সংগঠিত হই। শপথ গ্রহণ করি দেশমাতাকে মুক্ত করার, দেশকে মুক্ত করার ও সত্যিকার অর্থে একটি গণতান্ত্রিক উদার বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা করার।

সুস্থ হওয়ার পরেও খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসা করাতে যেতে না দেওয়ার কারণ উল্লেখ করে বিএনপির মহাসচিব বলেন, যেন তিনি কোনোমতেই সুস্থ হয়ে আবার জনগণের সামনে আসতে না পারেন। কারণ তিনি ধারণ করেন সেই রাজনীতি সেই পতাকা, যা শহীদ জিয়াউর রহমান ধারণ করতেন। যা এদেশের কোটি কোটি মানুষ ধারণ করে।

প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে একজন ‘ক্ষণজন্মা দেশপ্রেমিক রাষ্ট্রনায়ক’ হিসেবে অবহিত করেন মির্জা ফখরুল। দলের প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপির উদ্যোগে এই ভার্চুয়াল আলোচনা সভা হয়।

এতে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। দেশের ৮১টি সাংগঠনিক জেলার নেতারা ছাড়াও যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সৌদি আরব, মালয়েশিয়াসহ প্রবাসী শাখার নেতারাও এই ভার্চুয়াল আলোচনায় যুক্ত হন।

বিএনপির প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী ও সহ প্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম আলীমের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেন, জমির উদ্দিন সরকার, মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু প্রমুখ।

© এই নিউজ পোর্টালের কোনো লেখা, ছবি, ভিডিও অনুমতি ছাড়া ব্যবহার বেআইনি

ফেসবুকে শেয়ার করুন

More News Of This Category
পরীক্ষামূলক সম্প্রচার
Developed by: A TO Z IT HOST
Tuhin
x